আধুনিক উপকরণে সেজেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়াম হাসপাতালের ওষুধ ক্রয় প্রক্রিয়ায় শুরু হচ্ছে ওপেন টেন্ডারে কর্মসংস্থান সৃ্ষ্টিতে বেকার নার্সদের কাছেও অফার লেটার যাচ্ছে সচেতনতা বাড়িয়েছে ক্লিন ঢাকা সপ্তাহ প্রয়োজন সর্বস্তরের উদ্দ্যোগ বিধ্বস্ত হাইতিতে মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ গণকবরে ৪০ হাজার মানুষ

খরগোশের দুধ হৃদরোগে সহায়তা করে

খরগোশ পালন করছেন নেদারল্যান্ডসের বিজ্ঞানীরা দুধ বিক্রির জন্য। আধুনিক দোহন যন্ত্র বসিয়ে খরগোশের দুধ বিশ্বে প্রথমবার বাণিজ্যিকীকরণের কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে নেদারল্যান্ডসের কয়েকটি খামারে।
তবে যে সে দুধ নয়, জিনগত পরিবর্তন ঘটানো বিশেষ খরগোশের দুধ। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই দুধ হৃদরোগে (স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক) আক্রান্তদের শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষকলা পুনর্গঠনে অত্যন্ত উপযোগী হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় জখম হওয়া রোগীদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের আঘাত মেরামতে এবং প্রতিস্থাপিত অঙ্গের সুষ্ঠু কাজকর্ম নিশ্চিত করতেও এই দুধ অব্যর্থ ভূমিকা নেবে বলে আশাবাদী গবেষকরা।
দুধ সুষম খাদ্য কিনা তা নিয়ে বিতর্ক অনেক দিনের। কিন্তু এই খরগোশের দুধ বিশেষ কেন? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মানুষের শরীরের একটি বিশেষ জিন ‘সি-১ ইনহিবিটর’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে খরগোশের শরীরে। ওই জিন এমন প্রোটিন সংশ্লেষ করে, যা দেহের অন্দরে ফোলা কমাতে সাহায্য করে। সি-১ ইনহিবিটর না থাকলে শরীরে ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে। হৃদরোগ বা দুর্ঘটনায় হৃদপিণ্ড ছাড়া অন্দরের অঙ্গ ও কোষই আঘাত পায়। তখন সি-১ ইনহিবিটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। মানুষের রক্ত থেকে সি-১ ইনহিবিটর পাওয়া যায় বটে, তবে তা অত্যন্ত খরচসাপেক্ষ। এইচআইভি ভাইরাসের সংস্পর্শে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। কিন্তু প্রাযুক্তিক আধুনিকতার সাহায্যে জন্ম নেয়া খরগোশদের শরীরে এমন সংক্রমণ ঘটবে না বলেই বিজ্ঞানীদের ধারণা। এই খরগোশগুলোর দুধ উত্পাদনের ক্ষমতা সাধারণ খরগোশের থেকে বেশি বলেও জানাচ্ছেন তারা। উল্টো তাদের আশা, বংশানুক্রমিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, এমন রোগ ‘অ্যাঞ্জিও-ইডিমা’ সারাতে পারে এই দুধ। সি-১ ইনহিবিটরের অভাবে অ্যাঞ্জিও-ইডিমা হয়। ব্রিটেনে প্রতিবছর কমপক্ষে ২ হাজার মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন।
হল্যান্ডের ‘ফারমিং’ সংস্থা জানাচ্ছে, এই খরগোশের দুধ দিয়ে এখন পর্যন্ত দুশো মানুষের চিকিত্সা হয়েছে। এই চিকিত্সা পদ্ধতির নাম ‘রুসিন’। সংস্থাটি ‘ইউরোপিয়ান ড্রাগ রেগুলেটরস’-এর অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। ছাড়পত্র পেলে এ বছর বাজারে আসবে ফারমিং-এর খরগোশের দুধ। লন্ডনের বার্টস হসপিটালের রোগ প্রতিরোধ বিভাগের চিকিত্সক হিলারি লংহার্স্ট এ দুধ নিয়ে অত্যন্ত উত্সাহী। তার কথায়, বিভিন্ন রোগীকে সারিয়ে তুলতে এই খরগোশের দুধ অত্যন্ত কার্যকরী হবে বলে তার দৃঢ় বিশ্বাস। আর ফারমিং-এর চিফ এগজিকিউটিভ সিজমেন ডিভ্রিস বলেছেন, ‘এমন দুধের প্রচণ্ড চাহিদা রয়েছে। আমরা সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্য নিয়েই এগুচ্ছি।’ পিটিআই, ইন্টারনেট

ভারতে হার্ট, কিডনি ও হাড়ের রোগের বিনা মূল্যে চিকিৎসা

আমার হেলথ ডেস্ক:   দরিদ্র শ্রেণীর মানুষকে সব রোগের ক্ষেত্রে না হলেও অন্তত বিশেষ কয়েকটি রোগের ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবে ভারত সরকার। দেশের দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারীদের বিনা মূল্যে হৃদরোগ, কিডনি ও হাড়ের রোগের চিকিৎসাসেবার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী। গত শুক্রবার লোকসভার অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ এ কথা জানান। সরকারি হাসপাতালগুলোতে অন্যরাও এ সেবা বিশেষ ভর্তুকি মূল্যে পাবেন বলেও তিনি জানান।
গোলাম নবী বলেন, 'সারা দেশ থেকে যত রোগী দিল্লিতে এসব রোগের চিকিৎসা নিতে আসছে তাদের সবার চাহিদানুযায়ী চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।' তিনি আরো বলেন, 'এ ব্যাপারে আমরা দ্বিমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। হাসপাতালগুলোতে এসব রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়োগ বাড়ানো এবং অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। এ ব্যাপারে আমরা একই সঙ্গে মানবসম্পদ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেষ্টা করছি।'
মন্ত্রী জানান, এ বছর হাসপাতালগুলোতে এসব রোগের নতুন ৪০০০ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত 'অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স' নামের আটটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়েছে। মধ্য প্রদেশ, উড়িষ্যা, রাজস্থান, বিহার, ছত্তিশগড়, উত্তরখণ্ড, উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে এসব ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে।
মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত আটটির মধ্যে ছয়টি ইনস্টিটিউটই আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে যাবে। এগুলোর কার্যক্রম শুরু হয়ে গেলে দিল্লীর হাসপাতালগুলোতে রোগীদের চাপ অনেক কমে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

মাছ খেলে ইসকেমিক হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস পায়

আমারহেলথ ডেস্ক: নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ খেলে তাতে ইসকেমিক স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। বিশেষ করে মাসে অন্তত দুবার সামুদ্রিক মাছ খেলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কয়েকজন প্রফেসর সম্প্রতি এক গবেষণায় এটি প্রমাণ করেছেন। ইসকেমিক স্ট্রোক মূলত মস্তিস্কে রক্ত প্রবাহের পথটি ব্লক করে দিয়ে রক্ত সঞ্চালণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করে। সামুদ্রিক মাছে থাকা কিছু খণিজ উপাদান, যা এই ব্লক তৈরি হতে দেয় না। তবে অতিরিক্ত তৈলাক্ত মাছ খেলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে পাঙ্গাসের পেটি, ইলিশের পেটি এবং চিংড়ীর মগজ পরিহার করা ভালো। এছাড়া ফ্রাই করা মাছ বা মাছ ভাজা খেতে পছন্দ করেন অনেকে। ফ্রাই ফিস যথাসম্ভব কম খাওয়া ভালো। কারণ তেলে ভাজার কারণে মাছে স্বাভাবিক চর্বির চেয়ে অনেক বেশী চর্বি পাওয়া যায় যা হৃদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তখ্যসূত্র: ইন্টারনেট

হরমোন নিঃসরণের মাত্রা কম হলে প্রসবে সমস্যা

যেসব গর্ভবতী মহিলার গলার গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম হরমোন নিঃসৃত হয়, তাদের জন্য দুঃসংবাদ। নতুন একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের গলার থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম হরমোন নিঃসৃত হয়, তাদের সন্তান প্রসবের সময়টি অধিকতর দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক হয়।
ডাচ গবেষকদের একটি দল দেখিয়েছেন, সাধারণের চেয়ে কম থাইরক্সিন (থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন) উৎপন্ন হলে শুধু প্রসবকাল দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়কই হয় না, গর্ভপাত ও অপূর্ণ শিশুর জন্মদানসহ নানাবিধ সমস্যা হতে পারে। এমনকি গর্ভস্থ শিশুটির অবস্থানও উল্টে যেতে পারে কিংবা মাথা নিচের দিকে থাকলেও শিশুটি পেটে না থেকে পিঠের দিকে চলে যেতে পারে।
হরমোন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জন ল্যাজারাস বলেন, এ গবেষণার ফলটি হাতে আসার পর নতুন একটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। গর্ভবতী মায়েদের থাইরয়েড গ্রন্থিতে যথেষ্ট হরমোন উৎপাদিত হচ্ছে কিনা সেটি সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে। ইউনিভার্সিটি অব টিলবার্গের সংশ্লিষ্ট গবেষকরা জানান, গর্ভবতীদের কম হরমোন নিঃসৃত হওয়ার ঘটনা খুবই সচরাচর। প্রতি দশজন গর্ভবতীর মধ্যে একজন এ সমস্যায় ভোগেন। কাজেই গর্ভবতীদের উচিত, তাদের হরমোন নিঃসরণের মাত্রা ঠিক আছে কিনা সেটি পরীক্ষা করানো।
তথ্যসূত্র: বিবিসি।

ইউরোপে প্রচণ্ড ঝড়ে ৫৩ জনের প্রাণহানি: ফ্রান্সে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা



এইচ এম দিদার (বিবিসি অবলম্বনে)
পশ্চিম ইউরোপের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় ‘সিনথিয়ার’ পর গত ১লা মার্চ ফ্রান্স দেশটিতে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ফ্রানকো ফিলন বলেন, সবার যৌথ প্রচেষ্টায় আবার পুনর্গঠন সম্ভব। এদিকে স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রচণ্ড ঝড়ে অন্তত ৫৩ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আটলান্টিক উপকূলের বিধ্বস্ত এলাকায় পরিদর্শনে যান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি। নিহতরা কেউ পানিতে ভেসে গেছে, আবার কেউ বিধ্বস্ত বাড়ি ও ভেঙেপড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে। প্রধানমন্ত্রী ফিলন বলেন, এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং আমাদের প্রথম কাজ হবে জীবিত লোক ও তাদের আত্মীয়দের পাশে দাঁড়ানো। ঝড় ও বৃষ্টিতে নিমজ্জিত হয়েছে বহু অঞ্চল। কয়েকটি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুত্হীন হয়ে পড়েছে দুই এলাকার ১০ লক্ষাধিক অধিবাসী। কর্মকর্তারা জানান, ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টি ক্রমাগত উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঝড়ে বিভিন্ন শহরের গাছপালা ও রাস্তার সংকেতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। রেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে এবং প্যারিস ও ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ অনেক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন। প্রচণ্ড এ ঝড়ে স্পেনে তিনজন, জার্মানিতে দু’জন ও পর্তুগালে একজন নিহত হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ফ্রান্সের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। প্রবল ঝড়ো হাওয়ার কারণে সৃষ্ট উত্তাল ঢেউয়ে আটলান্টিক উপকূলীয় বাঁধগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফ্রেন্স টেলিভিশনকে মেয়র জানিয়েছেন, ঝড়ে কেবল ইআগুইলিয়ঁ সার মঁ শহরেই ২৫ জন মারা গেছে। ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিস হর্টফেক্স বিএফএম টেলিভিশনকে বলেন, এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ঝড়ে এখন পর্যন্ত ৪৫ থেকে ৫০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া উঁচু ঢেউয়ের কারণে আরও অনেক ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

অধিকাংশ আমেরিকান ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য তথ্য পেতে আগ্রহী

আমারহেলথ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলথ স্ট্যাটিসটিক্স পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে প্রকাশিত হয় অর্ধেকের বেশি আমেরিকান স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য জানতে ইন্টারনেটের সহায়তা নেন। তবে এর মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ ই-মেইলের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

গত ৯ ফেব্রুয়ারী প্রকাশিত এ জরিপে বলা হয় ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সী ৭ হাজার ১৯২ জনের ওপর এ জরিপ চালানো হয়। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এক বিবৃতিতে জানায়, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সিদের মধ্যে ৫১ শতাংশ গত ১২ মাস ধরে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন।

ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা এগিয়ে আছেন। ৫৮ শতাংশ নারী এবং ৪৩ শতাংশ পুরুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য অনুসন্ধান করেছেন বলে জরিপে দেখা যায়। এছাড়া ৪ শতাংশ নারী বিভিন্ন অনলাইন চ্যাট গ্র"পে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে এ হার ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

জরিপে পাওয়া যায়, ৬ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ইন্টারনেটের মাধ্যমেই ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে নিয়েছেন। ১২ মাসের মধ্যে ইন্টারনেটে মাধ্যমেই চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করেছেন প্রায় ৩ শতাংশ।তবে রোগীদের এত আগ্রহ থাকলেও অন্য একটি জরিপে দেখা যায়, চিকিৎসকরা ইন্টানেটের মাধ্যমে রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যাপারে বেশ অনিচ্ছুক। এ ক্ষেত্রে মুখ্য কারণ তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা।আবার অনেক ক্ষেত্রে রোগীর কাছ থেকে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ও ডাক্তারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
রয়টার্স অবলম্বনে