আধুনিক উপকরণে সেজেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়াম হাসপাতালের ওষুধ ক্রয় প্রক্রিয়ায় শুরু হচ্ছে ওপেন টেন্ডারে কর্মসংস্থান সৃ্ষ্টিতে বেকার নার্সদের কাছেও অফার লেটার যাচ্ছে সচেতনতা বাড়িয়েছে ক্লিন ঢাকা সপ্তাহ প্রয়োজন সর্বস্তরের উদ্দ্যোগ বিধ্বস্ত হাইতিতে মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ গণকবরে ৪০ হাজার মানুষ

ঠান্ডা কমায় ব্যায়াম

 আমারহেলথ ডেস্ক (২ জানুয়ারী, রবিবার):  প্রতিদিনের ব্যায়াম (শরীর চর্চা) আপনার দেহ এবং পেশীকেই শুধু সুঠাম করবে না; ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত হওয়া থেকেও রক্ষা করবে। নতুন একটি গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। আর এটি সম্প্রতি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এতে বলা হয়, যারা সপ্তাহে একবার বা তার চেয়ে কম সময় ব্যায়াম করে তাদের চেয়ে  সপ্তাহে পাঁচ বা তার চেয়ে বেশিবার ব্যায়ামকারীরা কম ঠান্ডায় আক্রান্ত হয়।

১৮ থেকে ৮৫ বছর বয়সী এক হাজার মানুষের ওপর শীত ও হেমন্তকালে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। দেখা যায়, যারা একবারও ব্যায়াম করেনি তাদের চেয়ে যারা সপ্তাহে পাঁচ বা তার অধিকবার ব্যায়াম করেছে তাদের মধ্যে ঠান্ডার লক্ষণগুলো ৪৩ থেকে ৪৬ শতাংশ কম।

নর্থ ক্যারোলিনার এ্যাপোলেসিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির ‘হিউম্যান পারফরমেন্স ল্যাবোরেটরির ডিরেক্টর ড. ডেভিড নিম্যান বলেন, শীতের সময়ে ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিদিন বাইরে বের হওয়া এবং কমপক্ষে ৩০ মিনিট ধরে প্রফুল্ল চিত্তে হাঁটা।

নিম্যান ও তার সহকর্মীরা জানান, একবার ব্যায়াম করার পর প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত পুরো দেহের রোগ প্রতিরোধ কোষগুলো আন্দোলিত হতে থাকে। একজন ব্যক্তি যখনই ব্যায়াম করে, তখনই তার আন্দোলিত কোষগুলো রোগ সৃষ্টিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এরআগে ২০০২ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি শতকরা ২৩ ভাগ কমিয়ে দেয়। আমেরিকান জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত ২০০৬ সালের আরেকটি গবেষণায় দেখানো হয়েছিল, অতিরিক্ত ওজনের কিংবা মুটিয়ে যাওয়া পোস্ট মেনপোসাল নারীদের ক্ষেত্রে পরিমিত ব্যায়াম ঠান্ডার প্রকোপ কমিয়ে দেয়।

আর আগের দুটি গবেষণাই নতুন এ গবেষণাকে সমর্থন করে।

গবেষণায় আরো বলা হয়, বয়স্ক ও বিবাহিতরা তরুণ ও অবিবাহিতদের চেয়ে ঠান্ডায় কম আক্রান্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি অনলাইন