আধুনিক উপকরণে সেজেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়াম হাসপাতালের ওষুধ ক্রয় প্রক্রিয়ায় শুরু হচ্ছে ওপেন টেন্ডারে কর্মসংস্থান সৃ্ষ্টিতে বেকার নার্সদের কাছেও অফার লেটার যাচ্ছে সচেতনতা বাড়িয়েছে ক্লিন ঢাকা সপ্তাহ প্রয়োজন সর্বস্তরের উদ্দ্যোগ বিধ্বস্ত হাইতিতে মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ গণকবরে ৪০ হাজার মানুষ

ব্রেন টিউমারের সাথে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক নেই

নাজিবুল্লাহ

ব্রেন টিউমারের সাথে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। গত ৩ ডিসেম্বর ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনসস্টিটিউট’ জার্নালে এ সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে প্রায় প্রত্যেকের ওপর ৩০ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে গবেষকরা এই মত প্রকাশ করেন। ১৯৯০-এর দশক ও তৎপরবর্তী সময়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়ে, তবে এ সময় ব্রেন টিউমার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়েনি বলে গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে।

ডেনমার্ক ক্যান্সার সোসাইটির গবেষক ইসাবেল ডেলট্যুর ও তার সহকর্মীরা বলেছেন, আমরা ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে দীর্ঘদিনের ব্রেন টিউমারের প্রবণতায় সুস্পষ্ট কোনো পরিবর্তন দেখিনি। ইসাবেলের গবেষকদল দু’ধরনের (গ্লিওমা, মেনিনজিওমা) ব্রেন টিউমারের বার্ষিক হার বিশ্লেষণ করেছেন। ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনে ১৯৭৪-২০০৩ সালের মধ্যে ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সীদের ওপর এ গবেষণা পরিচালনা করা হয়েছে। এসব দেশে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। ৩০ বছরে এ দেশগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার রোগীর ব্রেন টিউমার ধরা পড়েছে। গবেষকরা বলছেন, ১৯৯০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনে হঠাৎ করে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেক বেশি বেড়ে যায়। ১৯৯৮ সালের পর থেকে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের  সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়। (ওয়াশিংটন থেকে রয়টার্স)