শমরিতা হাসপাতাল বেসরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত একটি নাম।এ হাসপাতালটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় এনেছে আধুনিকতার ছোয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪ সালের পরীবাগের মোড়ে ময়মনসিংহ রোড়ের উপর দোতলায় ছোট্ট একটি বাসায় ১৫টি শাখা নিয়ে শমরিতা নার্সিংহোম নাম দিয়ে শুরু হয় আজকের শমরিতা হাসপাতালের যাত্রা। ডা.এবিএম হারুন ও ডা. নুরুল আলমের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কঠোর শ্রমে গড়ে উঠে শমরিতা হাসপাতাল। ১৯৮৭ সালে কিংবাদন্তীতুল্য ডা. এসজিএম চৌধুরীর যোগদান হাসপাতালটির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। We care our acts’ এ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে হাসপাতালটি উন্নতির বর্তমান স্তরে এসে উপনীত হয়েছে। বর্তমানে পান্থপথে ১৬০ শয্যাবিশিষ্ট শমরিতা ২৪ ঘন্টা ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু রেখেছে। তাছাড়া এ প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই ৫টি ফ্রি বেডের মাধ্যমে বিনা খরচে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। শমরিতা হাসপাতাল ঔষধ ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে পথ্য ব্যবস্থাত্রের চিকিৎসাও দিয়ে থাকে । হাসপাতালটি দুটি এম্বুলেন্সের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালের গুনগত সেবার কারণে বিভিন্ন কর্পোরেট ক্লায়েন্টের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ। কর্পোরেট ক্লায়েন্ট- শেরাটন, সোনারগাঁও, রেডিসন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, গ্রামীণ ফোন, একটেল ও সিটিসেল।এ হাসপাতালে স্বাস্থ্য বীমার সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে সার্বক্ষনিক আউটডোর মেডিক্যাল স্বাস্থ্য সেবা। জেনারেল সার্জারি, অর্থোপেডিক সার্জারি, নিওরো সার্জারি, প্লাষ্টিক সার্জারিসহ সকল প্রকার সার্জারি নিপুনভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। এ হাসপাতালের ডায়াগনষ্টিক ও প্যাথলজি বিভাগে কম খরচে সকল প্রকার পরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাফি, সিটিস্ক্যান, এক্সরে, ইসিজি ও এন্ডোসকপি করা হয়। ১৬৮ শয্যাবিশিষ্ট শমরিতা হাসপাতালে ৫৪ জন কনসালটেন্ট ৩৯ জন মেডিক্যাল অফিসার, ১৫০ জন নার্সসহ ৯১৩ জন স্টাফ রয়েছে। চিকিৎসা সেবার প্রতিটি শাখাতেই এখানে রয়েছে নিবিড় মনোযোগ, যে কোনো রোগের ব্যবস্থাপত্র তৈরিতে নেওয়া হচ্ছে উন্নত মানের কারিগরী সহযোগিতা যা সরবরাহ করেছে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানসমূহ। তাই উন্নত স্বাস্থ্য সেবার পথপ্রদর্শক হিসেবে শমরিতা হাসপাতাল আজ দেদীপ্যমান।
|
বিশেষজ্ঞ সেবা সমূহ: |
কার্ডিওলজি,অনকোলজি,ইউরোলজী, গ্র্যাস্ট্রোএনটোলজি,ল্যাপারোস্কপিক, পেডিয়াট্রিক,ইউরোলজি,অর্থোপেডিক্স |