ঢামেক হাসপাতালে লোডশেডিং: রোগীদের চরম দুর্ভোগ |
গতকাল হাসপাতালে প্রথম দফায় বেলা ১১টা থেকে একটা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় বিকেল সোয়া ৪টা থেকে সোয়া ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। ওয়ার্ডে জেনারেটরের ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটে এবং তাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বন্ধ ছিল। জেনারেটরের আলোতে কেবল রোগীদের অস্ত্রোপচার চলছিল। বিদ্যুৎবিহীন সময়ে নার্স ও আয়ারা রোগীদের বারান্দায় এনে সূর্যের আলোয় ড্রেসিং করছেন। এদিকে এসময়ে শিশু বিভাগের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিতে আসা এক বছর দুই মাস বয়সী শিশু ইমা চিকিৎসা নিতে না পারায় হৃদপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে অন্ধকারেই মারা চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ইমার মৃত্যু ঘটেনি। আমরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি তবে আলো থাকলে আরো ভালো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব ছিল। চিকিৎসকরা আরো জানান, এ সময় স্যালাইন ও রক্ত সরবরাহ করতেও বেগ পেতে হয়েছে। অনেকক্ষেত্রে বিদ্যুৎ না থাকায় নির্ধারিত অস্ত্রোপচার করাও সম্ভব হয়নি। |
স্টাফ রিপোর্টার:
Copyright © 2009 |Amarhealth|