বিএসএমএমইউতে অনভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের পর রোগীর মৃত্যু |
সাফিনের কিডনী অপারেশন করেন ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তিনি দলীয়করনের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন এবং কিডনী ট্রান্সপ্লান্টের সম্বন্ধে তার কোন অভিজ্ঞতা নেই। সাফিনের মৃত্যুর ব্যাপারে নেফ্রলোজি (কিডনি) বিভাগের অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলমের বলেন, ওই রোগী অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম সেলিমের অধীনে ছিলেন। এ বিষয়ে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ২৯ মে সাফিনের কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। সব পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই তার অপারেশন করা হয়। অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, তাকে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ডিউটি ডাক্তার ফোনে জানান, সাফিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তার ব্লাডপ্রেসার কমে গেছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাৎক্ষনিক তিনি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রোগীর জন্য সিটের ব্যবস্থা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সার্জনকে জানানোর জন্য বলেন। বিকাল ৪টার দিকে রোগীর খোঁজ নিতে তিনি হাসপাতালে আসেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রোগী মারা যান। সহযোগী অধ্যাপক মোঃ হাবিবুর রহমান দুলালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের ওপর তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫-২০টির মতো কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করেছেন। |
৩১ মে, আমার হেলথ: অনভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা কিডনী ট্রান্সপ্লান্টের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ৩০ মে সাফিন (৩২) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অপারেশনের কয়েক ঘন্টা পরেই রোগীর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। কিডনিদাতা রোগীর ছোটবোন রোকেয়া বেগম (৩০) বিএসএমএমইউ হাসপাতালে এখনো চিকিত্সাধীন আছে।
Copyright © 2009 |Amarhealth|