আমারহেলথ (৩০ আগস্ট, সোমবার): নগরবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক। রোগাক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই ভিড়ছেন না মাংসের দোকানে। ফলে রাজধানীতে দৈনিক গরু জবাইয়ের সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে।
রাজধানীতে দৈনিক জবাই হওয়া প্রায় পাঁচ হাজার পশুর রোগ পরীক্ষায় চিকিৎসক আছেন মাত্র দুজন। তাদের পক্ষে কোনোভাবেই এত পশুর রোগ পরীক্ষা করে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত কি না, তা যাচাই করা সম্ভব নয় বলে স্বীকার করেছেন সিটি করপোরেশনের ভেটেরিনারি শাখার কর্মকর্তারা।
রবিবার সাপ্তাহিক মাংসবিহীন দিবস হওয়ার পরও রমজানের কারণে কারওয়ান বাজারের মাংসের দোকানগুলো খোলা ছিল।
গরুর মাংস বিক্রেতা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গত কয়েক দিনে হঠাৎ করেই মাংস বিক্রি কমে গেছে। ব্যক্তি ক্রেতার পাশাপাশি হোটেল মালিকরাও মাংস কেনা কমিয়ে দিয়েছেন।
মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কেন জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারে বাজার করতে যাওয়া মণিপুরি পাড়ার বাসিন্দা এনামুল হক বলেন, ‘গরু ও খাসির মাংসের দাম অত্যন্ত বেশি। এর ওপর অ্যানথ্রাক্সের মতো ভয়ংকর রোগের আতঙ্ক। গরুর মাংস খেতে হবে এমন কিছু বাধ্যতামূলক নয়। আর সিরাজগঞ্জে এত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, আতঙ্ক তো ছড়াবেই।’
ঢাকা সিটি করপোরেশনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দৈনিক রাজধানীতে গড়ে ৭০০ গরু, ২০০-৩০০ মহিষ ও চার থেকে পাঁচ হাজার ছাগল ও ভেড়া জবাই করা হয়। এত পশুর রোগ পরীক্ষার জন্য আছেন মাত্র দুজন চিকিৎসক।
সিটি করপোরেশনের ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. আজমত আলী বলেন, একটি জবাইখানায় তিনজন চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়। সেখানে পুরো রাজধানীতে দুজন চিকিৎসক দিয়ে রোগ পরীক্ষা সম্ভব নয়। তা ছাড়া জবাইখানাগুলোতে রোগ পরীক্ষার আধুনিক কোনো ব্যবস্থা নেই।
|