আপনার স্বাস্থ্য, তোমার স্বাস্থ্য, আমার স্বাস্থ্য-সবার স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য অনলাইন হেলথ নিউজ পোর্টাল আমারহেলথ

বেড়েই চলছে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের সংখ্যা: তিন জেলায় আরও ৩৩ জন সনাক্ত

নাজিবুল্লাহ (০১ সেপ্টেম্বর, বুধবার): অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। কুষ্টিয়া জেলা, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ও পাবনার বেড়া উপজেলায় ০১ সেপ্টেম্বর, বুধবার আরও ৩৩ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিত্সা দেওয়া শুরু হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী ধর্মদহ গ্রামে আজ অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত আটজন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দীঘলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি গ্রামে বিভিন্ন বয়সের ১৪ জন ব্যক্তি নতুন করে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় নতুন করে ১১ জন অ্যানথ্রাক্স রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দীঘলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি গ্রামের বাসিন্দা আবদুল লতিফের কেনা একটি বলদ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি করে প্রতিবেশীদের সহায়তায় গরুটি জবাই করে এর মাংস খাওয়া ও বিক্রি করা হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মাংস কাটা এবং ধোয়ার কাজে নিয়োজিত ১৪ জনের হাতে ফোসকা পড়ে। ফোসকার স্থানে প্রচণ্ড ব্যথা ও চুলকানি শুরু হয় এবং আক্রান্ত স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

এদিকে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলাবাসী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২২ আগস্ট সানিলা মহল্লার গরুর খামারি শুকুর আলীর একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি অল্প দামে সেটি মহল্লার কয়েকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। পরে মহল্লাবাসীরা মিলিত হয়ে গরুটি জবাই করে এর মাংস ৪৩টি ভাগে ভাগ করে নেয়। গত সোমবার থেকে মহল্লাবাসীদের মধ্যে অ্যানথ্রাক্সের লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।