নাজিবুল্লাহ (২৬ অগাস্ট, বৃহসপতিবার): সিরাজগঞ্জে গবাদি প্রাণির টিকা কার্যক্রম জোরদার করেছে জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ। ২৬ অগাস্ট, বৃহসপতিবার সকাল থেকে ৩২টি দল জেলার বেলকুচি, কামারখন্দ ও শাহজাদপুর উপজেলায় কাজ শুরু করেছে।
এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তারা দাবি করলেও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, কামারখন্দ উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স সংক্রমিত আরো পাঁচজনকে সনাক্ত করা হয়েছে। এই নিয়ে গত কয়েকদিনে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৯।
জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলাম জানান, অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের আগে থেকেই টিকা কার্যক্রম চলছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, এ মুহূর্তে তাদের হাতে প্রায় এক লাখ টিকা আছে। আগামীকাল আরো এক লাখ টিকা তাদের হাতে আসবে। গত এক মাসে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমিত ১৬টি গরু ও তিনটি ছাগল মারা গেছে। পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছেন শফিউল ইসলাম।
তিনি জানান, মিল্কভিটার সমিতির বাইরে এ জেলায় গবাদি প্রাণির (গরু, ছাগল ও ভেড়া) সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬৭৬। বাঘাবাড়ি মিল্কভিটার গবাদি প্রাণি বিভাগ জানায়, তিনজন চিকিৎসক দিয়ে তাদের ৫১৮টি প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতির প্রায় ৯৮ হাজার গরুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সুস্থতার সনদ ছাড়া গরু জবাই নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন উপজেলায় মতবিনিময়, প্রচারপত্র বিলিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
কামারখন্দ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরো পাঁচজন অ্যানথ্রাক্স সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর রামচন্দ্র সাহা। এই পাঁচজন হলেন- উপজেলা সদরের সালেহা বেগম (৩০), ভদ্রঘাট গ্রামের তানজিলা খাতুন (৮), ধোপাকান্দি গ্রামের সুমন (২২), বড়কুড়া গ্রামের চায়না বেগম (২৮) ও বাগাচিপাড়া গ্রামের লিজা খাতুন (৬)।
|