এডহক চিকিৎসক নিয়োগের ফল প্রকাশ: বিএমএ ও স্বাচিপ নেতাদের কক্ষ ভাঙচুর |
এদিকে ফলাফলকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। কক্ষ ভাংচুরের সময় হামলাকারী চিকিৎসকরা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দেন। বিক্ষুব্ধরা বিএসএমএমইউতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব শারফুদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব আবদুল আজিজ ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ইকবাল আর্সলানের কক্ষে ভাঙচুর করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিক্ষুব্ধরা বিএমএ মহাসচিব শারফুদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব আবদুল আজিজের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুর করে। তবে ওই সময়ে তাঁরা কক্ষে ছিলেন না। স্বাচিপের মহাসচিব ইকবাল আর্সলানের কক্ষের বইয়ের আলমারির কাচ ভেঙে ফেলেছে কয়েকজন। সুত্রে জানা যায়, ৩০ মে সন্ধ্যা ছয়টায় এডহক ভিত্তিতে ৩ হাজার ৫৫১ জন এমবিবিএস চিকিৎসককে সহকারী সার্জন হিসেবে নিয়োগ অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে ওই রাতেই নিয়োগের তালিকা হাতে হাতে বিলি হয়। তালিকায় নিজেদের নাম না দেখে চিকিৎসকরা ৩১ মে দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বায়োকেমিস্ট্রির চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ সমর্থক চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সালান, বিএমএ’র মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ এবং স্বাচিপের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. এমএ আজিজের কক্ষে ভাংচুর চালান। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন বলেন, সরকারি বিধি, মেধা তালিকা, কোটা অনুসরণ করে যোগ্যদের চাকরি দেয়া হয়েছে। এ নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল মজিদ ভূঁইয়া বলেন, বিক্ষুব্ধরা বিএমএ মহাসচিব ও যুগ্ম মহাসচিবের কক্ষ ভাঙচুর করেছে। অস্থায়ী নিয়োগে ক্ষোভ, অসন্তোষ থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। সকালে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল হাসপাতালে ঢুকে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। |
০১ জুন, আমারহেলথ:
Copyright © 2009 |Amarhealth|