দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যলস আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনে আমার ডাক্তার

আগামী বছরই প্রতিবন্ধীদের বিনামূল্যে বিশেষ পদ্ধতির পাঠ্য বই দেয়া হবে- শিক্ষামন্ত্রী

আমারহেলথ (৩০সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার): সকল প্রতিবন্ধীকে শিক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন করা হবে। আগামী বছরই সকল প্রতিবন্ধীর জন্য নিশ্চিত করা হবে বিনামূল্যে বিশেষ পদ্ধতির পাঠ্য বই।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমীতে (নায়েম) আয়োজিত 'প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় অন্তর্ভুক্তকরণ' শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রজেক্ট (টিকিউআই-সেপ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নোমান-উর-রশিদ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষা সচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম, টিকিউআই-সেপ প্রকল্পের পরিচালক নজরুল ইসলাম, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র সূত্রধর, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুর রহমান এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন। জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে দেশের প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়নে শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আরও বলেন, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণে জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার মূলধারায় সম্পৃক্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজেরই অংশ। তারা শিক্ষাবঞ্চিত থাকায় সমাজ তাদের অবদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সমাজের অন্যদের মতো তাদেরও সকল সুযোগসুবিধা দিতে হবে। এবারের জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়টি তুলে ধরে শিৰামন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন করা হবে। আগামী বছর সকল প্রতিবন্ধীর জন্য বিনামূল্যে বিশেষ পদ্ধতির বই নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজের সকলকে সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, দেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। যাদের মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ শিক্ষার সুযোগ গ্রহণ করতে পারছে। আবার এ ৪ শতাংশের জন্যও নেই তাদের উপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বইসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ।