জলবায়ুর ক্ষতি মোকাবেলায় ক্ষুদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর |
জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য যারা দায়ী তারা এর কুপ্রভাব মোকাবেলায় এগিয়ে আসছে না এমন অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অবস্থা এতটাই নাজুক যে, বসে থাকার আর সময় নেই। এরইমধ্যে নিজস্ব তহবিল থেকে সরকার ১শ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফান্ড গঠন করেছে। এতে জনগণের কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় খাতগুলিতে অর্থের টান পড়লেও জলবায়ু পরিবর্তনের ফান্ড গঠনে সরকার বাধ্য হয়েছে। এর জন্য মেক্সিকোতে আসন্ন সম্মেলনসহ আন্তর্জাতিক মহলে যাদের কথা গুরুত্ব পায় না, সেসব দেশকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর বিষয়টি দেরিতে হলেও গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে উন্নত বিশ্ব এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে এ খাতে অর্থ বা কারিগরি সহায়তা উন্নত বিশ্ব থেকে এখনও আসেনি। ঐক্যবদ্ধ না হলে, দাবির ব্যাপারে সোচ্চার না হলে আন্তর্জাতিক যে কোনো আলোচনার ফলাফল ক্ষুদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পক্ষে যাবে না বলে সতর্ক করে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার কনি হেডেগাড জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরাম ও সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়, জোরালো ও সক্রিয় ভূমিকা, বক্তব্য, প্রস্তাবনার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৩ বছরের মধ্যে তাদের প্রতিশ্রুত অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বরাদ্দ দেবে। বাংলাদেশের পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আফগানিস্তান, ভুটান, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল এবং ইয়েমেনের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রীরা অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির সভাপতি ড. খলিকুজ্জামান আহমদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। |
ফয়সাল আকবর:
Copyright © 2009 |Amarhealth|