দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যলস আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনে আমার ডাক্তার

প্রথম শহীদ মিনারের কথা

ডা. মিলন ছিলেন স্বৈরাচার বিরোধী একজন সাহসী সৈনিক
সাহসী সৈনিক


হাসান শাহরিয়ার: শহীদ ডা. মিলন ছিলেন স্বৈরাচার বিরোধী এক সৈনিক। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। মিলন গনতন্ত্রের শক্তি। তাই স্বৈরাচার সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে মিলনকে হত্যা করে তাদের পথকে কাঁটামুক্ত করে। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে শহীদ মিলন চত্ত্বরে শহীদ ডা. মিলনের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ডা. মিলন সংসদ আয়োজিত আলোচনা ও স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভপতি হাসানুল ইনু, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, শহীদ ডা. মিলন সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল ইসরাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ডা. মিলনের মা সেলিনা আখতার, ডাকসুর সাবেক ভিপি মোশতাক হোসেন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বধীনতার পর এক দশক দেশ স্বৈরশাসকের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যাদের নাম ভেসে ওঠে তাদের মধ্যে ডা. মিলন অন্যতম। তবে এটা আমাদের জন্যে দুঃখের সংবাদ যে, ডা. মিলন হত্যার ১৯ বছর পরও সুষ্ঠু বিচার হয়নি। বাংলাদেশ স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত হলেও গণতেন্ত্রর নামে অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত হয়নি। গণতন্ত্রের নামে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল লুটপাটের রাজনীতি শুরু করেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন লুটপাটের অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। স্বৈরশাসককে কোলে বসিয়ে কখনও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের সকল ভূত ও প্রেতাত্মাদের তাড়াতে হবে। সভায় বক্তারা আরও বলেন, ডা. মিলনের যে বিচার হয়েছিল তা ছিল প্রহসনের বিচার। দীর্ঘ ৩৪ বছর পরেও আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় পেয়েছি। তাই মিলন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে অনতিবিলম্বে বিচারের দাবি জানান বক্তারা। উল্লেখ্য, ডা. মিলন ১৯৯০ সালের ২৭ ডিসেম্বর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন।