প্রথম শহীদ মিনারের কথা |
ডা. মিলন ছিলেন স্বৈরাচার বিরোধী একজন সাহসী সৈনিক
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বধীনতার পর এক দশক দেশ স্বৈরশাসকের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যাদের নাম ভেসে ওঠে তাদের মধ্যে ডা. মিলন অন্যতম। তবে এটা আমাদের জন্যে দুঃখের সংবাদ যে, ডা. মিলন হত্যার ১৯ বছর পরও সুষ্ঠু বিচার হয়নি। বাংলাদেশ স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত হলেও গণতেন্ত্রর নামে অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত হয়নি। গণতন্ত্রের নামে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল লুটপাটের রাজনীতি শুরু করেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন লুটপাটের অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। স্বৈরশাসককে কোলে বসিয়ে কখনও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের সকল ভূত ও প্রেতাত্মাদের তাড়াতে হবে। সভায় বক্তারা আরও বলেন, ডা. মিলনের যে বিচার হয়েছিল তা ছিল প্রহসনের বিচার। দীর্ঘ ৩৪ বছর পরেও আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় পেয়েছি। তাই মিলন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে অনতিবিলম্বে বিচারের দাবি জানান বক্তারা। উল্লেখ্য, ডা. মিলন ১৯৯০ সালের ২৭ ডিসেম্বর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন।
|

Copyright © 2009 |Amarhealth|