এইচ এম দিদার (বিবিসি অবলম্বনে) ১৮ মে, : গত ১৬ মে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী সন্মেলনের শহর জেনেভায় অনুষ্ঠিত হল কমনওয়েলথ দেশগুলোর স্বাস্থ্য মন্ত্রীদের বৈঠক। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ২০১১ সালের কমনওয়েলথ স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের গৃহীত বিভিন্ন প্রসংশনীয় পদক্ষেপের জন্য তাকে এ সম্মান দেয়া হল।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা ও করেছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অতি অল্প বাজেটে বাংলাদেশের মতো অন্য কোন দেশ এত উন্নতি করতে পারেনি। এ ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে ধরে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ সময়ে বাংলাদশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ এফ এম রুহুল হক বলেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়। সে লক্ষ্যে তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে কমনওয়েল্থ রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রীরা বলেছেন, হার্ট, ক্যান্সার, ডায়াবেটিকস-এর মতো রোগগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সকল দেশকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। এ রোগগুলোর চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে সকল দেশ যেন সমানভাবে সহযোগিতা পায় সে বিষয়ে কাজ করে যেতে হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা তুলে ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব মার্গারেট চেন কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সফর করেছেন। যশোরের চৌগাছায় সফরে গিয়ে তিনি গ্রামীণ পর্যায়ে ডেলিভারি ব্যবস্থা দেখে অভিভূত হয়েছেন, যা তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিকে বলেছেন। এ সময়ে তিনি দেখেছেন, ওই এলাকার সকল গর্ভবতী মা সরকারী-বেসরকারীভাবে প্রসূতি সেবা গ্রহণ করছেন। এতে শিশু ও গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হারও অনেকটা কমে গেছে। |