দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যলস আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনে আমার ডাক্তার

শিশুমৃত্যুতে সফলতা পাওয়ায় জাতিসংঘ পুরস্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ

জাফর সাদেক শিবলী

বাংলাদেশ শিশু মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য জাতিসংঘের এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ পাচ্ছে।
রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এমডিজি (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল) অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এ ব্যাপারে আমন্ত্রণ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করবেন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন জানান, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সাতটি বিষয়ের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করলেও পুরস্কার পাচ্ছে শিশু মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে যে সাফল্য অর্জিত হয়েছে তার জন্য। কারণ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে অন্য দেশ আরো বেশি সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি বলেন, এবারের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য সংক্রান্ত সম্মেলনে যোগদানকারী দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা, যিনি ২০০০ সালেও যোগ দিয়ে মিলেনিয়াম ডিক্লারেশনে স্বাক্ষর করেছিলেন।
 জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ১০১ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে রবিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে নিউইয়র্কে এসে পেঁৗছবেন। সন্ধ্যায় অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। পরদিন সোমবার থেকে তিনি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দেবেন। একটি অধিবেশনে তিনি সভাপতিত্ব করবেন এবং অপর একটিতে তিনি ভাষণ দেবেন। ভাষণে তিনি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে উন্নত দেশগুলোকে তাদের দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী এগিয়ে আসার আহ্বান জানাবেন। তাঁর মূল বক্তব্য হবে দারিদ্র্য বিমোচন ও শিক্ষার ওপর। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানাবেন তিনি।
এ কে আবদুল মোমেন আরো জানান, ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সাতটি বিষয়ে শতভাগ সাফল্য অর্জন করতে হলে জনপ্রতি ১১২ মার্কিন ডলার দরকার। সে হিসেবে পাঁচ বছরে ১৫ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলার দরকার হবে। উন্নত দেশগুলো এ ব্যাপারে সহায়তা করার অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু তারা সেই অঙ্গীকার পূরণে এগিয়ে আসছে না।