দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যলস আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনে আমার ডাক্তার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস: সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ০৬ এপ্রিল (আমার হেলথ): সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক। তিনি বলেছেন, এজন্য চার হাজারের বেশি চিকিৎসক, আড়াই হাজার নার্স ও ছয় হাজারের বেশি স্বাস্থ্য সহকারীর শুন্যপদ পূরণ করা হবে।

৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে এর আগের দিন মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, এবারের স্বাস্থ্য দিবসের স্লোগান হচ্ছে- ‘নগর জীবনে স্বাস্থ্যসেবা’।

রুহুল হক বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার চট্টগ্রাম মহানগরী ছাড়াও আরো ১২টি শহরকে স্বাস্থ্যসম্মত শহর হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে অপর এক আলোচনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান আইলা বিধ্বস্ত লোকজন স্বাস্থ্যসহ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। আইলার প্রভাব থেকে ওই এলাকার লোকদের সত্যিকার অর্থে এখনও রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় জোয়ারের পানিতে বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফলে সেখানকার লোকজন স্বাস্থ্য সমস্যাসহ মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বিএমএ ভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন আয়োজিত স্বাস্থ্যের উপর জলবায়ুর প্রভাব শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা: রুহুল হক একথা বলেন।

বিএমএ সভাপতি ডা: মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব:) মুজিবুর রহমান ফকির।
স্বাস্থ্যের উপর জলবায়ুর প্রভাব সম্পর্কিত পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন ডা: তারিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান বিজয়।
মন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোর টাকা আছে, তারা ব্যাংক ও বীমার জন্য কাজ করে। কিন্তু পরিবেশ বিপর্যয় রোধে তেমন একটা এগিয়ে আসে না। কারণ এখানে তাদের কোন লাভ হয় না।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে যাই ঘটুক তার প্রভাব স্বাস্থ্যের উপর পড়বেই। পরিবেশের সাথে স্বাস্থ্যের যে সস্পর্ক রয়েছে তাকে আলাদা করা যাবে না। তাই পরিবেশ বিপর্যয় রোধে আমাদের বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।