আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

হিটস্ট্রোকে বেশী বেশী ওরস্যালাইন পানের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

১৩ এপ্রিল (আমার হেলথ): গ্রীষ্মকাল মানেই প্রচন্ড গরম আর তাপদাহে ওষ্ঠাগত প্রান।বৈশাখ মাস আসলেই শুরু হয় প্রচন্ড গরম আর তাপদাহ। প্রচণ্ড গরমে মানুষের হিটস্ট্রোকের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামের কৃষিশ্রমিক, কৃষক এবং কলকারখানায় শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে রয়েছে। হিটস্ট্রোক রোধে কিছুক্ষণ পরপর ওরস্যালাইন কিংবা লবণযুক্তপানি খাওয়া, পাতলা ও ঢিলেঢালা জামা পরা, মাঠে কাজ করার সময় মাথায় ছাতা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা, কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যে সম্ভব হলে গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পাশাপাশি হিটস্ট্রোকের পর যতটা সম্ভব ঠাণ্ডা স্থানে নিয়ে ফ্যান বা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে হবে। শরীরে পানি ছিটালে, আইসপ্যাক দিয়ে ঘষলে, কাপড় দিয়ে মুছলে তাপমাত্রা কমানো যায়। অজ্ঞান হলে হাসপাতালে নিয়ে হাতের শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. প্রফেসর ডা: একেএম আনওয়ারুল্লাহ বলেন, অতিরিক্ত গরমে শরীর ঘেমে প্রয়োজনীয় লবণ ও পানি বের হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে হিটস্ট্রোক হয়। হিটস্ট্রোকে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। বেশী বেশী খাবার স্যালাইন খাওয়াই এ সময়ে সুস্থ্য থাকার একমাত্র উপায়।

হিটস্ট্রোক হলে রোগীর বমি, বমির ভাব, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, অস্বাভাবিক আচরণ, অজ্ঞান হওয়া, ফুসফুস ও মস্তিষ্কে পানি জমা, প্রস্রাব বন্ধ বা কমে কিডনি ও লিভার বিকল, ঘামতে ঘামতে একপর্যায়ে ঘাম থেমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে রোগী মারা যায়।