আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

 চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী এ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আমারহেলথ (২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার): স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক বলেছেন, হৃদরোগের চিকিৎসা অনেকটা ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী এর চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ২ ডিসেম্বর  রাজধানীর একটি হোটেলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এনএইচএফবি) আয়োজিত হৃদরোগের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলনের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এনএইচএফবি)-র প্রেসিডেন্ট বিচারপতি চৌধুরী এটিএম মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মজিবুর রহমান ফকির, এনএইচএফবির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর আরকে খন্দকার, সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর ব্রি. আবদুল মালিক, জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  
তিনি বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ের হৃদরোগের চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে ঢাকার বাইরে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে আলাদা হৃদরোগ বিভাগ খোলা হবে। হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ, সিসিইউ ও করোনারী হৃদরোগ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় হৃদরোগ চিকিৎসা উন্নত করা সম্ভব। এজন্য তিনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কামনা করেন। দেশের চিকিৎসা সেবা উন্নয়নে আরো দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী নিয়োগ করা হবে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেও হৃদরোগ মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, করোনারী হৃদরোগ, বাতজ্বর ও বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ, জন্মগত হৃদরোগসহ দেশে সকল ধরনের হৃদরোগের প্রাদুর্ভাব বিদ্যমান। সম্মেলনে বক্তারা এ তথ্য দেন।
অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয়, দেশে প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝে উচ্চ রক্তচাপ শতকরা ২০ থেকে ২৫ জনের, করোনারী বা ইস্কিমিক হৃদরোগ শতকরা ১০ জনের, বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ প্রতি হাজারে ১ দশমিক ২ জনের ও প্রতি এক হাজার নবজাতকের মধ্যে ৮ জন জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত।
এনএইচএফবি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী হৃদরোগ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, সিঙ্গাপুর, ভারত থেকে মোট ১৪ জন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও দেশি-বিদেশি ৫৫০ জন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন।