আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে এক টুকরো ডার্ক চকলেট প্রতিদিন

প্রতিদিন এক টুকরো ডার্ক চকলেট খেলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে আর যেতে হবে না। অল্প পরিমাণে ডার্ক চকলেট খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে—বলেছেন বিজ্ঞানীরা।
ডার্ক চকলেটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্লাভোনল। আর ফ্লাভোনলের রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান। অক্সিডেশন হলো সেই প্রক্রিয়া, যার ফলে কোলেস্টেরল ধমনীর সঙ্গে জোরেশোরে লেগে থাকে। এই অক্সিডেশনকে ব্যাহতকারী যে কোনো কিছু ধমনীকে পরিষ্কার রাখতে পারে। এ ব্যাপারটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হলেও এমন প্রমাণ জোর পাচ্ছে যে, ফ্লাভোনল সত্যিই উপকারী। চকলেটের রং যত কালো হবে তাতে ফ্লাভোনলের মাত্রাও তত বেশি থাকবে।
ডার্ক চকলেট ছাড়া ফ্লাভোনল আরও যেসব জিনিসে মেলে তার মধ্যে রয়েছে রেড ওয়াইনের জন্য ব্যবহৃত আঙুর, চা (বিশেষ করে গ্রীন টি বা সবুজ চায়ে), ব্লুবেরি, ব্যাপসবেরি, ক্র্যানবেরি, আখরোট আর বাদাম। চকলেট ক্যান্ডিতে অতিমাত্রায় থাকে ফ্যাট ও চিনি। আর অতিরিক্ত পরিমাণে এ ধরনের ক্যান্ডি চকলেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে ফল, সবজি ও শস্যের সঙ্গে সুষম খাদ্যের তালিকায় নিশ্চিন্তে দেড় আউন্স পরিমাণ ডার্ক চকলেটকে রাখা য়েতে পারে। কারণ এতে রয়েছে ফ্লাভোনল। নিউট্রিশনাল এপিডেমিওলোজিস্ট ব্রায়ান বুইজসি বলেন, ডার্ক চকলেট সবচেয়ে বেশি কার্যকর, মিল্ক চকলেট কিছুটা, তবে হোয়াইট চকলেটের কোনো উপকারিতাই নেই। দুটি গ্রুপের ওপর গবেষণা চালানো হয়। এক দলকে চকলেট খেতে দেয়া হয়েছে। আরেক দল চকলেট খায়নি বললেই চলে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ডার্ক চকলেট খেয়েছেন তাদের স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হবার সম্ভবনা ৪৮ শতাংশ কমে গেছে। আগের বিভিন্ন পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, চকলেট রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। অনলাইন অবলম্বন