আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

আ্যনথ্রাক্স রেড এলার্ড তুলে নেওয়া হচ্ছে বৃহস্পতিবার

আমার হেলথ (৬ অক্টোবর, বুধবার): দেশে আ্যনথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণে আসায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের ওপর জারি করা রেড অ্যালার্ট (সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা) ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।এছাড়া অ্যানথ্রাক্স নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং মুরগির মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত থাকা খামার মালিকদের
ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে এসব মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রেড এ্যালার্ট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অ্যানথ্রাক্স নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, তড়কা কোন ভীতিকর রোগ নয়। এ রোগে প্রতি বছরই অনেক প্রাণি আক্রান্ত ও মারা যায়। কিন্তু অন্যান্য বছর এ নিয়ে কোন নেতিবাচক প্রচারণা না থাকায় জনমনে আতঙ্ক ছড়ায়নি। এবার একটি মহল নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে কাজ সিদ্ধি করেছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি গত দু’বছরের সঙ্গে এ বছর তড়কা রোগে আক্রান্ত প্রাণির একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে বলেন, ২০০৮ সালে দেশে ৪৩৭টি গরু তড়কা রোগে আক্রান্ত হয়। এরমধ্যে ১৫৬টি গরু মারা গেছে। ২০০৯ সালে এ রোগে আক্রান্ত ৪৪৯টি গরুর মধ্যে ১১৪টি মারা যায়। চলতি ২০১০ সালের এ পর্যন্ত তড়কা রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা মাত্র ১০৪টি। এতে মারা গেছে ৩৭টি গরু।
এ সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এ নিয়ে জনমনে ভীতির সৃষ্টি করা হয়েছে। গরু, ছাগল, হাঁস, পাখিসহ সকল পশু-পাখির তড়কা হয়েছে বলে প্রচারণা চালানো হয়েছে। অথচ মুরগিতে হয়েছে এমন কোন প্রচারণা হয়নি। এটা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে।
আব্দুল লতিফ বিশ্বাস জানান, গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই দেশে আর কোথাও কোন পশুর অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তাই সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এতে মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।
সাভার সেনানিবাসে দুটি ছাগলের মৃত্যু তড়কাজনিত কারণে হয়নি বলেও দাবি করেন লতিফ বিশ্বাস। তিনি বলেন, এখানে ছয়টি ছাগল ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। এরমধ্যে দুটি মারা যায়। বাকি চারটি চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠে।