
ঢাকায় দর্শক মাতালেন বেবী নাজনীন: শুরু হলো কান্ট্রি ট্যুর |
বেবী নাজনীন লাইভ ইন ঢাকা’র সঙ্গীতসন্ধ্যা মাতিয়ে তুলেছিলেন উত্তরবঙ্গের দোয়েল। সন্ধ্যা থেকে শুরু করে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত গেয়ে শোনান বেবী। আধুনিক গানের জনপ্রিয় শিল্পী হলেও শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দিয়েই বেবী শুরু করেন। ঠুমরি, রবীন্দ্রসঙ্গীত এবং নজরুল গীতির মাধ্যমে শিল্পী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ওপর তার দখলদারিত্বের প্রমাণ রাখেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পর তিনি শুরু করেন তার নিজের গান। প্রায় চার দশক ধরে গেয়ে চলা ব্ল্যাকডায়মন্ড তার অসংখ্য জনপ্রিয় গান এবং প্রাণবন্ত পারফরমেন্স দর্শকদের বিমোহিত করে। জনপ্রিয় গানের ভাণ্ডার থেকে বের করেন কাল সারারাত, এলোমেলো বাতাসে, রংধনু থেকে, দু’চোখে ঘুম আসে না, মরার কোকিলে, কই গেলা নিঠুর বন্ধুরে, পূবালী বাতাসে ও হালে উপমহাদেশ তোলপাড় করা ‘বন্ধু তুমি কই’ প্রভৃতি গান। মহুমাত্রিক গানের শিল্পী বেবী নাজনীন গেয়ে শোনান উর্দু ও হিন্দি গজল এবং আরবি ও ইংরেজি গানও। দেশের ২০ জন প্রধান বাদ্যযন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পীর সুরের মূর্ছনায় ভেসে যান হলে উপস্থিত দর্শকরা। |
অস্কার পুরস্কারে মহিলা বিজয়ীদের বিড়ম্বনা |
২০০৫ সালে 'মিলিয়ন ডলার বেবি' চলচ্চিত্রের জন্য দ্বিতীয় দফায় সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন হিলারি সোয়াঙ্ক। এর পরের বছরই স্বামী চ্যাড লোয়ির সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ ঘটে। শার্লিজ থেরন অস্কার জেতেন 'মনস্টার' (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর বিচ্ছেদ ঘটে বাগদত্ত আইরিশ অভিনেতা স্টুয়ার্ট টাইনসেন্ডের সঙ্গে। হ্যালি বেরি ২০০৩ সালের অস্কার জেতেন 'মনস্টারস বল' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য। এর কয়েক মাসের মধ্যেই বয়ফ্রেন্ড এরিক বেনেটের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়। 'শেক্সপিয়ার ইন লাভ' চলচ্চিত্রে অতুলনীয় অভিনয় করে ১৯৯৯ সালে সেরা অভিনেত্রীর অস্কার জেতেন গিনেথ প্যালট্রো। কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় বয়ফ্রেন্ড বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে। 'এরিক ব্রকোভিচ' (২০০১) চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয় করে অস্কার জেতার পর পরই বয়ফ্রেন্ড বেঞ্জামিন ব্রাটের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় জুলিয়া রবার্টসের। পরিসংখ্যান বলছে, অস্কার নারীদের জন্য অভিশাপই বয়ে এনেছে! হলিউডের মনস্তত্ত্ববিদ ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ক্যারল লিবারমান বলেছেন, নারীরা অস্কার জেতার মতো সাফল্য পেলে তাদের পুরুষ সঙ্গীরা ঈর্ষায় ভোগে। তারা তা সহজভাবে মেনে নিতে পারে না। |
চলছে ফরাসি ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব |
ফরাসি ভাষা ব্যবহার হয় এমন ছয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফরাসি ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব উৎসব ‘লা জার্নি ইন্টারন্যাশনাল ডি লা ফ্রাঙ্কোফনি’। ছয়টি দেশ হলো ফ্রান্স, কানাডা, মিসর, সুইজারল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মরক্কো। ২০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এই উৎসব। ইংরেজি অনুবাদসহ ফরাসি ভাষায় নির্মিত বিভিন্ন দেশের ১৭টি চলচ্চিত্র দেখানো হবে এতে। ফ্রাঙ্কোফনি নিয়ে ‘বিশ্বে প্রায় ২০০ মিলিয়ন লোক ফরাসি ভাষা ব্যবহার করছে। বিশ্বজুড়ে ফরাসি ভাষা ব্যবহারকারী দেশগুলোর সংগঠন হলো ফ্রাঙ্কোফনি। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের বয়স এখন ৪০। ফরাসি ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এ ধরনের উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশে আলিয়ঁস ফ্রঁসেস, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসে (ইউল্যাব) চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হবে। ফ্রাঙ্কোফনি উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। আর তা সবার জন্য উন্মুক্ত। মুলত ফরাসি ভাষা ও ফরাসি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সানা বিশ্বে ছডিয়ে দিতে ফ্রাঙ্কোফনি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। |
বাংলা একাডেমীতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত |
অধ্যাপক আবুল বারকাত বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক মুক্তি, সকল প্রকার স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা - এই পাঁচপ্রকার মুক্তিই হচ্ছে স্বাধীনতার মূল কথা। আমরা বৈষম্যহীন অর্থনীতি ও অসামপ্রদায়িক মানস কাঠামো গঠনের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেই। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জিত হলেও আমরা বৈষম্যহীন অর্থনীতি ও অসামপ্রদায়িক মানস কাঠামো গড়তে পারিনি। এজন্য আমাদের নিজ-নিজ অবস্থানে থেকেই প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যেতে হবে। অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম বলেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম, ৩০ লাখ প্রাণ আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম আজ ৩৯ বছর পরেও আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছতে পারিনি। মুক্তিযোদ্ধা বেলাল মোহাম্মদ বলেন, বেতার ঘোষক আর স্বাধীনতার ঘোষক - দু’টি আমরা এক করে ফেলেছি। বেতার ঘোষক হচ্ছে আমরা বেতারে মাইক্রোফোনের সামনে যারা ঘোষণা দেই, আর স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের স্মরণকালের ইতিহাসে ’৭১ সালেই হয়েছিল এবং সেই অধিকার পেয়েছিলেন একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমরা জাতির জনকের আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। আর আজ আমাদেরই দায়িত্ব এসেছে স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি রোধ করা এবং প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা। সভাপতির ভাষণে জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী বলেন, আমরা অনেক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিন অতিবাহিত করলেও আমাদের আদর্শ থেকে কখনো বিচ্যুত হইনি। স্বাধীনতা অর্জিত হলেও দেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করেনি। তিনি বলেন, দেশ আরও সামনে এগিয়ে যেতে পারতো কিন্তু বিগত দিনে স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তির জন্যই আমরা তা পারিনি। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে আমাদের সবাইকে নির্ভয়ে কাজ করতে হবে। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়, শেখ জমিরউদ্দিন, শাহীন সামাদ, কল্যাণী ঘোষ, ডালিয়া নওশীন, তপন মাহমুদ, বিপুল ভট্টাচার্য, নমিতা ঘোষ, শিবু রায় প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি |

ফয়সাল আকবর: শুরু হলো দেশের প্রতিভাবান সংগীত শিল্পী ব্লাক ডায়মন্ড খ্যাত বেবী নাজনীনের কান্ট্রি ট্যুর। ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গানে গানে দর্শকদের মাতিয়ে তুলেছিলেন ব্ল্যাক ডায়মন্ড বেবী নাজনীন। টানা তিনঘণ্টা প্রায় দুই হাজার দর্শক-শ্রোতা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন এ শিল্পীর গান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেম-এ অনুষ্ঠিত বেবী নাজনীন লাইভ ইন ঢাকা শিরোনামের জাঁকজমকপূর্ন কনসার্টে গান করেন তিনি। কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশ- সিজেএফবি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি ছিল বেবী নাজনীন কান্ট্রি ট্যুরের শুভ যাত্রা। পর্যায়ক্রমে এই অয়োজন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিজেএফবির উপদেষ্টা তানভীর তারেক ও তামিম হাসান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ (ইউসিবি)’র চেয়ারম্যান এম. এ. হাশেম, ইউসিবির পরিচালক এম.এ. সবুর, পারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ রাসেল, কনসার্টের মিডিয়া পার্টনার একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও সিইও আবদুস সালাম, মণ্ডল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজী আবদুল মজিদ মণ্ডল, রাজনীতিবিদ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং সিজেএফবির সভাপতি এনাম সরকার।
বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় পুরস্কার অস্কার পুরস্কার । একজন অভিনেত্রীর কাছে অস্কার পাওয়ার ব্যাপারটি যেন আজ অনেকটা অভিশাপ। গত কয়েক বছরের বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কোনো নারী অস্কার জেতার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই স্বামী, বাগদত্ত বা বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ ঘটেছে। 'দ্য ব্লাইন্ড সাইড' চলচ্চিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর সেরা অভিনেত্রীর অস্কার জিতেছেন সান্ড্রা বুলক। কিন্তু তাঁর এ অসামান্য অর্জনের সব আনন্দই ম্লান হয়ে গেল স্বামী জেসি জেমসের পরকীয়ার খবরে। প্রিয়তম স্বামীর এমন বিশ্বাসভঙ্গের পর তিনি বিবাহবিচ্ছেদে গেলেন। অস্কারে ব্রিটিশ তারকাদের ভাগ্য বরাবর সুপ্রসন্ন। ব্যতিক্রম নন টাইটানিক খ্যাত অভিনেত্রী কেট উইন্সলেটও। ছয়বার মনোনয়ন পাওয়া এ অভিনেত্রী অনেকটা ছোঁ মেরে জিতে নেন ২০০৮ সালের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার (দ্য রিডার) । কিন্তু কিছুদিন পরেই স্বামী স্যাম মেন্ডেজের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ ঘটে। 'ওয়াক দ্য লাইন' (২০০৬) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অস্কার জেতার পর পরই অভিনেত্রী রিজ উইদারস্পুনের বিচ্ছেদ ঘটে স্বামী রায়ান ফিলিপের সঙ্গে।
স্টাফ রিপোর্টার: 



Copyright © 2009 |Amarhealth|