শারমিন আক্তার সুমি
আই-শেভ বিউটি পার্লার, স্লিমিং এণ্ড ট্রেনিং সেন্টার
(শুধু মাত্র মহিলাদের জন্য)
বাণিজ্যিক প্লট-৭, সেকশন-৬/ক, মেইন রোড-১,
মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
ফোন:
০২৭৭২০০৫১৩২, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৪৯৩৯
ফিটনেস প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করুন, সু-স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য ধরে রাখুন। অনেকেই মনে করেন ব্যায়াম মানেই এরোবিকস বা ইন্সট্রুমেন্ট। আপনি ফ্রি-হ্যাণ্ড বা ইয়োগা করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যাদের এজমা আছে তারা এরোবিকস ও ইন্সট্রুমেন্ট দ্বারা ব্যায়াম চলাকালীন সময়ে ৪৫ মিনিটের মধ্যে ৩-৪ বার ইনহেলার নিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে ৮০%-৯০% লোকের চোয়ালটা ভাঙ্গার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ব্যায়ামের উপকারিতা
১. মাংসপেশী ও অস্থি দৃঢ়তর হয়।
২. স্থূল মেদবহুল শরীরের পরিবর্তে সুস্থ মেদহীন দেহলাভ হয়।
৩. অতিরিক্ত ওজনজনিত কুফল থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা নীচুতে থাকে।
৫. জীবন সম্পর্কে সুস্থ সুন্দর ভাবনার উন্মেষ ঘটে।
৬. স্বাস্থ্যকর ঘুম হয়, শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলে সহজে ভেঙ্গে পড়ে না।
৭. সহজে বলীরেখা পড়ে না।
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সাফল্য ধীরে ধীরে আসে ওজন কমানোর জন্য আপনি ডায়েটিং করছেন, লো-ফ্যাট খাবার ও ফলমূল খাওয়ার পাশাপাশি যোগব্যায়ামও করছেন। তবুওযদি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে না আসে তবে আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, শরীরের ১০% ওজন হ্রাসই আপনার জন্য বিরাট সাফল্যের ব্যাপার। এটিই আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য যথেষ্ট। অধিকাংশ মানুষই ওজন কমানোর জন্য অবাস্তব লক্ষ্য স্থির করে। লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে আশাহত হয়ে পড়েন যে, তাদের ওজন হ্রাসে বড় কোন পরিবর্তন ঘটছে না। যার ফলশ্রুতিতে অনেকেই তাদের পুরনো ও ক্ষতিকর খাদ্যাভাসে ফিরে যান। ওজন কমার গতি শ্লথ হলেও ধীরে ধীরে ওজন কমাটাই স্বাভাবিক হিসেবে বিবেচ্য। প্রতিদিন সপ্তাহে ২ পাউণ্ড ওজন কমাটাই বিরাট সাফল্য। ওজন ধীরে ধীরে কমে আসাটা উৎসাহ ব্যঞ্জক হওয়া উচিত। কাঙ্ক্ষিত ওজনে ফিরে আসার চেয়ে সেটা ধরে রাখা আরো কঠিন। তাই ডায়েটিং বা এ ধরনের কোন ওজন হ্রাস প্রক্রিয়া অবলম্বনের প্রাথমিক অবস্থায় মোটেও আশাহত হবেন না। লেগে থাকুন, নিয়ম মেনে চলুন সাফল্য আসবেই। |