বিউটিশিয়ানদের সেবামূলক কাজে কোন সরকারি উদ্যোগ নেই

তানজিনা আক্তার দিপু:
বিউটিশিয়ানদের সেবামূলক কাজে কোন সরকারি উদ্যোগ নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ লেডীস বিউটি পার্লার ওনার এসোসিয়েশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট গীতি বিল্লাহ অত্যন্ত দুঃখের সাথে একথা বলেন।
গীতি বিল্লাহ মনে করেন- বিউটি পার্লারের কাজ সেবামূলক কাজ। এ সেবামূলক কাজটি চিকিৎসা সেবার অন্তর্ভুক্ত। কেবল সৌন্দর্য রক্ষার জন্য নয়, বরং সৌন্দর্য রক্ষার সাথে স্বাস্থ্যের সম্পর্ক অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। কারণ ত্বকের সমস্যার সমাধানের পদক্ষেপ না নিলে তা জটিল আকার ধারণ করে। সেক্ষেত্রে পার্লার ট্রিটমেন্ট কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন।
তিনি বলেন- অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় যে, ১৯৭৪ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এক্ষেত্রে কোন সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমি ও আমার বোন জেরিন আসগর বাংলাদেশে বিউটি পার্লারের প্রতিষ্ঠা থেকে কাজ করছি। সেসময় একাজকে খারাপ চোখে দেখা হত। অনেক পরিশ্রমের ফসল হিসেবে বর্তমানে বাংলাদেশ বিউটি পার্লারের এ অবস্থান। বর্তমানে কেবল তরুণ-তরুনীদের কাছেই নয়, সববয়সী নারী-পুরুষের কাছে বিউটি পার্লার খুবই জনপ্রিয়।
তিনি আরও বলেন- সরকারি পদক্ষেপ অন্যান্য ক্ষেত্রে হলে বিউটি পার্লারের ক্ষেত্রে কেন হয়না? এটা কি একটা সেবামূলক কাজ নয়? বর্তমানে বাংলাদেশে কুটির শিল্প, পোশাক শিল্প, হস্ত শিল্প, কৃষিকাজ সবক্ষেত্রে বেকারদের সাবলম্বী করার ক্ষেত্রে সরকারের কত পদক্ষেপ। বিউটি পার্লারের কাজ করে আমরা সেবামূলক কাজ করে থাকি এবং এক্ষেত্রে বেকার ছেলেমেয়েদের অনেক ক্ষেত্রে সাবলম্বী করা সম্ভব। এক্ষেত্রে দেশেরও অনেক উন্নতি হত, বেকার সমস্যার সমাধান এবং দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাওয়া যেত। কিন্তু বিউটি পার্লারের মত সেবামূলক কাজে সরকারের কোন পদক্ষেপ নেই। বরং শুরু থেকে আজ আমরা ১৫% ভ্যাট প্রদান করে আসছি, যেখানে সেবামূলক কাজের ভ্যাট পূর্বে ছিল ৭% এবং বর্তমানে ৫%। শুধু তাই নয় আমাদের বিউটিশিয়ানদের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরাই বাংলাদেশ লেডীস বিউটি পার্লার ওনার এসোসিয়েশন গড়ে তুলেছি। সেখানে আমাদের বিউটিশিয়ানদের সমস্যা আমরাই সাক্ষাৎ করে সমাধান করি, এক্ষেত্রে কোন সরকারি পদক্ষেপ নেই।