
ঋতুর পালাবদলে শীতের আগমন ঘটেছে গাছের পাতা ঝরার মধ্য দিয়ে। কনেকনে ও হাড় কাপানো শীতে মানুষের বিভিন্ন অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটে, তেমনিভাবে মানুষের খাদ্যাভাসেরও ঘটে পরিবর্তন । এছাড়াও মাত্র কিছুদিন আগে কোরবানী ঈদে গিয়েছে মাংস খাওয়ার বিশাল ধুম। তাই শীতের আগমনে মানুষের নিয়মিত খাদ্যাভাসে ফিরে আসাটা একটু কষ্টকর হলেও জরুরী। তাই বারডেম হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার আলো শীতের খাদ্যাভাস সম্পর্কে বলছেন- সবঋতুতে খাদ্যাভাস সম্পর্কে সচেতন থাকা সবার জন্য জরুরী। তবে শীতের সময় খাদ্যের একটা ধুম পড়ে যায়। গ্রামের বাড়িতে সকালবেলা পিঠাপুলি এবং বাজারে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি সবই সুস্বাদু খাবার। কিন্তু তারপরও খাবার নিয়ন্ত্রণ করাটা সুস্থসবল ও ফিট থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরী। তাছাড়া শীতকালে প্রচুর পরিমাণে সতেজ শাক-সবজি পাওয়া যায়। এসব শাক-সবজি থেকে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যায় এবং নিয়ম অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে খেয়ে নিজেকে ফিট রাখা যায়। যেমন-
১. রোগা/ওজন কম হলে: তাদের জন্য সবসময় প্রয়োজন প্রোটিন জাতীয় খাবার। যেমন-মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল ইত্যাদি। তবে সবজির জন্য তারা খেতে পারে মিষ্টিকুমড়া, গাজর, আলু, কাঁচাকলা, কচু ইত্যাদি।
২. ওজন বেশি হলে/মোটা হলে: তাদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সবজি খেতে হবে। কারণ সবজির মধ্যে আঁশ বেশি থাকে। এজন্য অল্প খেলেও পেট ভরে যায়। তবে তাদের জন্য যেসব সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি যেমন-লাউ, ঝিঙা, পটল, ঝিঝিঙা ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত।
৩. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: ডায়াবেটিস রোগীদের শাক-সবজি বেশি খাওয়া প্রয়োজন। কারণ তাদেরকে শর্করা জাতীয় খাবার সীমিত পরিমাণ খেতে হয় এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দিতে হয়। শীতকালীন সবজির মাধ্যমে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদির চাহিদা পূরণ করা যায়। তাই ফুলকপি, বাধাকপি, লাউ, সিম ইত্যাদি এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার শাক যেমন-পালংশাক, লালশাক, মূলা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এছাড়াও শসা, খিরা, লেটুসপাতা, কেপসিকাম ইচ্ছামত খাওয়া যায়।
শীতকালীন সবজির অন্যান্য উপকারিতা
সতর্কতা |
Copyright © 2009 |Amarhealth|