গরমের আরাম সুতি কাপড়ে

তানজিনা আক্তার দীপু

গ্রীষ্মের তাপের সঙ্গে ভাব জমিয়েছে বৈশাখী হাওয়া। প্রচণ্ড গরমের আঁচ এসে আছড়ে পড়ছে শরীরে। গ্রীষ্মের এই দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে যুগোপযোগী আরামদায়ক পোশাক বেছে নিচ্ছে সবাই। কেমন হতে পারে এই যুগোপযোগী আধুনিক আরামদায়ক পোশাক, সেটা জানতে আজ আমরা এসেছি গ্লোব শপিং সেন্টারে অবস্থিত ফ্যাশন হাউস ধানসিঁড়িতে। এখনকার সিইও রনি ঠাকুর বলেন, গরমের দিনে সবাই চায় একটু আরামদায়ক পোশাক পরতে। এক্ষেত্রে সুতি কাপড়ের তুলনা হয় না। সুতি কাপড়ের তৈরি পোশাক শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে এবং এ সময়ের জন্য মানানসই।
এছাড়া হালকা রঙের সুতি পোশাক রোদ এবং তাপ থেকে বাঁচিয়ে শরীরকে স্বস্তি দান করে। গরমের কারণে আমাদের অনেকেরই চুলকানি, ঘামাচি, এলার্জির মতো সমস্যা দেখা দেয় বা শরীরে ফুসকুড়ি ওঠে। এ সময়টা সুতি কাপড় পরাটাই উচিত। এছাড়াও যারা অতিরিক্ত মোটা অথবা অত্যধিক গরমে কাজ করেন তারা সুতি কাপড়ের তৈরি পিভলেস কামিজ ব্যবহার করতে পারেন। স্কুল-কলেজ, ইউনিভার্সিটির মেয়েরা, যাদের প্রতিনিয়ত বাইরে যাওয়া আসা করতে হয়, ক্লাস করতে হয় তারা এই গরমে সুতির ফতুয়া ও জিন্স ব্যবহার করতে পারেন। আর যারা শাড়ি পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তারা এই গরমে সুতির হালকা রঙের শাড়ি, টাঙ্গাইলের শাড়ি অথবা ব্লক-বাটিকের সুতি ট্রেন্ডি শাড়ি পরিধান করতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে চর্ম ও যৌন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডা. শামসাদ বেগম বলেন, এখন যেহেতু গরমের সময় তাই সুতিজাতীয় হালকা রঙের পোশাক পরাটাই উচিত। সুতি কাপড় বাতাস চলাচল স্বাভাবিক রেখে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। এছাড়া সুতি কাপড় সহজেই ঘাম শোষণ করে নেয়। আর হালকা রঙের পোশাক তাপমাত্রা কম শোষণ করে, ফলে গরমও কম লাগে। তাই সবকিছু মিলিয়ে সুতি কাপড় পরাটাই উত্তম।
সিনথেটিকজাতীয় কাপড় শরীরের লোমের সঙ্গে ঘষা লেগে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৃষ্টি করে। ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে গরম বেশি লাগে। এছাড়া সিনথেটিক কাপড় ঘামের জন্য গায়ের সঙ্গে লেগে থাকে ফলে অস্বস্তি বোধহয়। তাই সবদিক বিচার বিবেচনা করে এবং আবহাওয়া অনুযায়ী গরমের আরাম সুতির তৈরি পোশাক সময়োপযোগী কাপড়।